
আবারও আদালত থেকে পালিয়েছেন শরিফুল ইসলাম নামের এক আসামি। মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা শেষে তাঁকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান তিনি। এর আগে ২০২৫ সালের জুনেও আদালত থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় পুলিশকে আঘাত করে পালিয়েছিলেন শরিফুল।
আদালত সূত্রে জানা যায়, আগেরবার পালানোর ঘটনায় করা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য মঙ্গলবার শরিফুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে তোলা হয়।
তবে এদিন কোনো সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়নি। পরে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল আব্দুল আলিম শরিফুলকে আদালত থেকে হাজতখানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় কৌশলে হাতকড়া খুলে তিনি পালিয়ে যান।
আদালত সূত্র আরও জানায়, ২০২৫ সালের ১৯ জুন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময়ও শরিফুল পুলিশকে আঘাত করে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান। ওই ঘটনায় সেদিনই হাজতখানার ইনচার্জ রিপন মোল্লা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।
সেই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য থাকায় মঙ্গলবার তাঁকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছিল।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কোতোয়ালি থানার মামলায় হাজতি শরিফুল ইসলাম কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছেন। সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য তাঁকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল।



