
ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দ্বীপকেসহ দলটির তিন শীর্ষ নেতার ১০ ঘণ্টা ধরে কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেছে দলটি। তাদের অভিযোগ, দিল্লি পুলিশ নেতাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তাঁদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ককরোচ পার্টি এ ঘটনাকে জরুরি পরিস্থিতি হিসেবে উল্লেখ করে। পোস্টে দলটি লিখেছে, ‘১০ ঘণ্টা হয়ে গেছে। দিল্লি পুলিশ অভিজিৎ দ্বীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে অপহরণ করেছে। আমরা এখনো জানি না তাঁরা কোথায় আছেন। তাঁদের সঙ্গে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই। দিল্লি পুলিশ তাঁদের কোথায় রেখেছে? এভাবে কাউকে অপহরণ করা কীভাবে মেনে নেওয়া যায়?’
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ পার্টি। কর্মসূচিতে যোগ দিতে সকালে মুম্বাই থেকে বিমানে দিল্লি যান অভিজিৎ দ্বীপকেসহ দলটির তিন শীর্ষ নেতা। তবে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরই তাঁদের আটক করে পুলিশ। এরপর থেকে তাঁদের আর গণমাধ্যমের সামনে দেখা যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে অভিজিৎ দ্বীপকের দাদি মারা গেছেন। বিভিন্ন জায়গায় দাবি করা হচ্ছে, তাঁকে এ খবর জানানো হয়নি। তবে দিল্লি পুলিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছে, অভিজিৎকে তাঁর দাদির মৃত্যুর খবর তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে বলা হয়েছে, তিনি চাইলে মানবিক দিক বিবেচনায় দাদির শেষ বিদায়ে অংশ নিতে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তবে এর আগে তাঁকে আন্দোলন বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে অভিজিৎ দ্বীপকের কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
এদিকে যন্তরমন্তরের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে দিল্লিতে আসা অন্যান্য তরুণকেও আটক করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।



