Business

অটোগ্যাসের দাম বাড়ল, লিটারে ১১ টাকা ৫৩ পয়সা

দেশের বাজারে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। অক্টোবর মাসের জন্য নতুন দর নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ১১ টাকা ৫৩ পয়সা বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা করা হয়েছে।

রোববার ৪ অক্টোবর বিকেলে নতুন দাম ঘোষণা করে বিইআরসি। ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দর কার্যকর হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দাম বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

এর আগে প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ছিল ৭৩ টাকা ৯ পয়সা। নতুন দরে তা বেড়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সায় দাঁড়াল।

এদিকে যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের পাশাপাশি রান্নার কাজে ব্যবহৃত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দামও বাড়ানো হয়েছে। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম একবারে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। সেপ্টেম্বর মাসে এই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা।

বিইআরসি জানিয়েছে, অক্টোবরের জন্য বেসরকারি এলপিজির ভোক্তা পর্যায়ের দাম ভ্যাটসহ প্রতি কেজি ১৫৩ টাকা ৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের মাসে এই দাম ছিল ১৩২ টাকা ১২ পয়সা।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ৫ দশমিক ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৮৪২ টাকা, ১২ দশমিক ৫ কেজির ১ হাজার ৯১৩ টাকা, ১৫ কেজির ২ হাজার ২৯৬ টাকা এবং ১৬ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার ৭৫৫ টাকা, ২০ কেজি ৩ হাজার ৬১ টাকা, ২২ কেজি ৩ হাজার ৩৬৭ টাকা, ২৫ কেজি ৩ হাজার ৮২৭ টাকা এবং ৩০ কেজির সিলিন্ডার ৪ হাজার ৫৯২ টাকায় বিক্রি হবে। ৩৩ কেজির দাম ৫ হাজার ৫১ টাকা, ৩৫ কেজি ৫ হাজার ৩৫৭ টাকা এবং ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৮৮৮ টাকা।

বিইআরসির হিসাব অনুযায়ী, অক্টোবর মাসের এলপিজির দাম নির্ধারণে সৌদি আরামকোর প্রোপেন ও বিউটেনের আন্তর্জাতিক দাম বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জাহাজভাড়া ও আমদানিকারকদের প্রিমিয়ামও হিসাবের মধ্যে রাখা হয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। আগস্টে ৭০ টাকা বাড়িয়ে দাম ১ হাজার ৫৯৮ টাকা করা হয়েছিল। তার আগে জুলাইয়ে ৩৫৭ টাকা কমিয়ে দাম ১ হাজার ৫২৮ টাকা করা হয়।

নতুন আদেশ অনুযায়ী, বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি, রেটিকুলেটেড এলপিজি বা অটোগ্যাস বিক্রি করা যাবে না। সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ, বিতরণ ও খুচরা বিক্রয়সহ কোনো পর্যায়েই নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button