হঠাৎ চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশ নিতে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ওয়ারিয়র।
‘কারাত-২০২৬’ নামের এই যৌথ মহড়াকে ঘিরে দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে শুরু হচ্ছে বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) জেটিতে নোঙর করার প্রস্তুতি নেয় যুদ্ধজাহাজটি।
বন্দরে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মার্কিন প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। এর আগে বন্দরের প্রবেশমুখে সামরিক ঐতিহ্য মেনে বাদ্যযন্ত্র পরিবেশনের মাধ্যমে জাহাজটিকে অভ্যর্থনা জানানো হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২ নভেম্বর) চট্টগ্রামের স্কুল অব মেরিটাইমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে যৌথ প্রশিক্ষণ মহড়া। আগামী ৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ কার্যক্রম।
৬৮ মিটার দৈর্ঘ্যের ইউএসএস ওয়ারিয়র যুদ্ধজাহাজটির নেতৃত্বে রয়েছেন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মেরি সেনোনাইটেড। তাঁর নেতৃত্বে একটি মার্কিন নৌবাহিনীর প্রতিনিধিদলও বাংলাদেশে এসেছে।
‘কারাত-২০২৬’ মহড়ার প্রধান উদ্দেশ্য হলো সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা জোরদার এবং যৌথ অভিযান পরিচালনায় দুই দেশের নৌসদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময়, পারস্পরিক সমন্বয় এবং সমুদ্রপথে বিদ্যমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, এ ধরনের যৌথ মহড়া বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা এবং পেশাগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সমুদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দুই দেশের নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতেও এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ করে আগামী ৫ নভেম্বর বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ওয়ারিয়রের।



