
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া ওই সময় ভারতের সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’-এর একটি কর্ম অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন। তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনটির আয়োজন করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।
শেখ হাসিনাকে ভারত কবে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে—এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, হাসিনাকে ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি। বাংলাদেশের তৎকালীন পরিস্থিতির কারণে তিনি ভারতে এসেছিলেন এবং বাংলাদেশের একটি সামরিক বিমানে করেই তাঁকে ভারতে নেওয়া হয়।
দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) যখন ঢাকা ত্যাগ করেন, তখন তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ভারত এই পরিস্থিতিটির জন্য প্রস্তুত ছিল না। আমরা যদি তাঁকে অবতরণের অনুমতি না দিতাম, তবে একদম অন্য রকম এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো।’
দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে জানতে চাইলে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ, সিদ্ধান্তও তাই স্বাধীনভাবে নেবে, কোন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক করবে, রাখবে, তা একান্তই এ দেশের মানুষের আর সরকারের সিদ্ধান্ত। সত্যিকারের প্রতিবেশী কোনো অভ্যন্তরীণ নীতিতে হস্তক্ষেপ করে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, পরিবারের মধ্যে ভুল–বোঝাবুঝি থাকতেই পারে।



