‘সিঙ্গেলরা’ বিনাখরচে যেতে পারবেন ফিনল্যান্ডে
বিশ্বের সিঙ্গেলদের ফিনল্যান্ডে আমন্ত্রণ, ১০ নভেম্বর আবেদনের শেষ সময়

বিশ্বের অন্যতম সুখী দেশ হিসেবে পরিচিত ফিনল্যান্ডে এবার সম্পূর্ণ খরচে ব্লাইন্ড ডেটে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সিঙ্গেল বা অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্করা।
২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্যতিক্রমী এ আয়োজন করতে যাচ্ছে দেশটির পর্যটন সংস্থা ‘ভিজিট ফিনল্যান্ড’। এতে নির্বাচিত ১৬ জনের বিমান ভাড়া, থাকা-খাওয়া ও ভ্রমণের যাবতীয় খরচ বহন করবে আয়োজকরা।
‘ফিনিশ ডিনার ডেট’ নামের এ প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক পর্যটকদের ফিনল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। পাশাপাশি স্থানীয় সিঙ্গেলদের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং নতুন রোমান্টিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করা।
সংবাদমাধ্যম *ফোর্বসের* তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৯ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এ বিশেষ আয়োজন। এতে অংশগ্রহণকারীরা ফিনল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি হেলসিঙ্কি ও লেকল্যান্ড অঞ্চলের তামপেরে শহরে স্থানীয় সিঙ্গেলদের সঙ্গে বিশেষ গ্রুপ ডিনার ডেটে অংশ নেবেন।
বিশেষ এই নৈশভোজের মেনুতে থাকবে ফিনল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবার ও উপাদান। এর মধ্যে রয়েছে বুনো মাছ, নানা ধরনের বেরি ফল এবং বন থেকে সংগ্রহ করা মাশরুম। দেশটির শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন শেফ প্রকৃতি, ঋতু ও স্থানীয় খাদ্য উপাদানের সঙ্গে ফিনিশ সংস্কৃতির সম্পর্ক তুলে ধরে এসব খাবারের মেনু তৈরি করবেন।
বিজনেস ফিনল্যান্ডের আন্তর্জাতিক বিপণন বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক হেলি জিমেনেজ এক বিবৃতিতে বলেন, ফিনিশ খাবার দেশটির সুখী জীবনযাপনের প্রতিফলন। এর মধ্য দিয়ে প্রকৃতি, ঋতু এবং মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ও মেলবন্ধন তৈরি হয়।
তিনি আরও বলেন, খাবার ফিনল্যান্ডের মানুষকে একসূত্রে বাঁধে। এবার ভ্রমণকারীদেরও এক ব্যতিক্রমী উপায়ে সেই অভিজ্ঞতার অংশ হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।
‘ফিনিশ ডিনার ডেট’ আয়োজনের ধারণা নেওয়া হয়েছে ফিনল্যান্ডের ‘সিংকুকোরি’ নামের একটি ডেটিং রীতি থেকে। এ রীতিতে দেশটির কিছু সুপারমার্কেটে গোলাপি রঙের শপিং বাস্কেট ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে ক্রেতা যে সিঙ্গেল এবং নতুন কারও সঙ্গে পরিচিত হতে আগ্রহী, তা বোঝানো হয়।
আয়োজকদের মতে, ইউরোপ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের তুলনায় ফিনল্যান্ডের খাদ্যসংস্কৃতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কিছুটা কম পরিচিত। তাই এ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশটির খাবার, প্রকৃতি ও জীবনধারাকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে চায় পর্যটন সংস্থাটি।
জিমেনেজ বলেন, সাওনার খাদ্যসংস্কৃতি থেকে শুরু করে বন থেকে প্রাকৃতিক উপাদান সংগ্রহের ঐতিহ্য—ফিনিশ র



