কুয়েত বিমানবন্দরে প্রবাসীরা সাবধান,মোবাইল দিয়ে ছবি তুললেই বিপদ

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মোবাইল ফোন, ক্যামেরা কিংবা অন্য কোনো প্রযুক্তিগত যন্ত্র ব্যবহার করে ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ ও সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ স্ট্রিমিং) নিষিদ্ধ করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (ডিজিসিএ)। বিমানবন্দরের পুরো এলাকায় কার্যকর করা হয়েছে এ নির্দেশনা। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন যাত্রীদের পাশাপাশি বিমানবন্দরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক প্রকৌশলী সাদ আল-ওতাইবির স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সব স্থাপনা ও প্রাঙ্গণে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে যাত্রী টার্মিনাল, প্রশাসনিক ভবন, কারিগরি স্থাপনা এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অধীন সব অবকাঠামো।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ নথিপত্র, সরকারি চিঠিপত্র, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও কার্যক্রমের ছবি বা ভিডিও ধারণ করা যাবে না। একইভাবে পরিদর্শন চেকপয়েন্ট, নজরদারি ক্যামেরা, উড়োজাহাজের চলাচল এবং বিমানবন্দরের পরিচালনাসংক্রান্ত কোনো তথ্য ধারণ বা প্রকাশের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ মালয়েশিয়ায় একসঙ্গে ৩১২ বিদেশির কারাদণ্ড,বিপাকে বাংলাদেশিরাও
কর্তৃপক্ষের মতে, বিমানবন্দর ও এর আশপাশের অবকাঠামো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল স্থাপনা। এসব স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও যাত্রীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা এবং বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। পরিপত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ ছবি তুললে, ভিডিও ধারণ করলে কিংবা লাইভ সম্প্রচার করলে তার বিরুদ্ধে কুয়েতের প্রচলিত আইন, বিধিবিধান ও সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তাই কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারকারী প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সব যাত্রীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিমানবন্দরের ভেতরে ছবি বা ভিডিও ধারণের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও নিয়মকানুন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।



