Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
আন্তর্জাতিক

. যুক্তরাষ্ট্রের চাপেও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করবে না ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকি সত্ত্বেও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করবে না ইরান। একই সঙ্গে দেশটির কাছে থাকা ইউরেনিয়ামের মজুদও হস্তান্তর করা হবে না বলে জানিয়েছে তেহরান। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ ইসলামি এ কথা বলেন। তাঁর মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা ও মজুদ রাখা ইরানের বৈধ অধিকার।

ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান বলেন, দেশটির শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অপরিহার্য। পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) মেনেই ইরান এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে দাবি করেন তিনি।

মোহাম্মদ ইসলামি বলেন, “আবারও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার আলোচ্যসূচিতে এটি রাখতে হবে। কিন্তু পারমাণবিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।”

যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রসঙ্গ তুলে ইসলামি বলেন, দেশটির জাতীয় উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও জাতীয় প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত নথিতেও পারমাণবিক প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলোকে প্রতারণামূলক ও মিথ্যা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে দেশটিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ থেকেও বিরত রাখার কথা বলে আসছে তাঁর প্রশাসন। যুদ্ধ চলাকালে ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো লক্ষ্য করেও একাধিকবার হামলা চালানো হয়।

তবে ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার কোনো ইচ্ছা বা পরিকল্পনা তেহরানের নেই বলেও জানিয়েছে দেশটি।

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বিরোধ দুই দেশের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার অন্যতম প্রধান বিষয়। ওয়াশিংটন ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা ঠেকানোর কথা বললেও তেহরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রমকে জাতীয় অধিকার ও শান্তিপূর্ণ প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিবেচনা করে।

সম্পর্কিত খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button