পল্টনে সাবেক অতিরিক্ত আইজিপির গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক আহত

মতিঝিল ট্রাফিক পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, দুর্ঘটনার সময় গাড়িটির চালকের আসনে ছিলেন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) সিবগাতুল্লাহর ছেলে। দুর্ঘটনার পর তিনি গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যান।
পল্টন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি গাড়ি উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গাড়িটির মালিক পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি সিবগাতুল্লাহ। তবে দুর্ঘটনার সময় গাড়িটি কে চালাচ্ছিলেন, তা নিশ্চিত হতে পারেননি তিনি।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পল্টন টাওয়ার থেকে প্রায় ১০০ মিটার ডান দিকে একটি শাখা সড়কে ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৯-৭০৭৭ নম্বরের প্রাইভেটকারটি একটি রিকশাকে পাশ থেকে ধাক্কা দেয়। এতে রিকশাচালক গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) নিয়ে যান।
এদিকে গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বারিধারা কূটনৈতিক এলাকায় একই ধরনের একটি দুর্ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ওই দিন বিকেলে ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান (২৪)। এ সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার ফুটপাতে উঠে গেলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহত মেহেদীর ভাই মোক্তাদীর ইসলাম গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলায় কোনো কিশোরের নাম উল্লেখ করা হয়নি। গাড়িচালক হিসেবে আকাশ মারক (৪৪) নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।
ওই দুর্ঘটনার পর গাড়ির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন আটক করেন। পরে পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে পুলিশ ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুর্ঘটনায় ওই কিশোরের সম্পৃক্ততার তথ্য পায়। পরে তাকে আইনের সংস্পর্শে আনা হয়।



