Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
অন্য খবর

শিশুর স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে খাওয়াবেন যেসব খাবার

শিশুর মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশে সুষম ও পুষ্টিকর খাবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মাছ, ডিম, শাকসবজি ও বাদামের মতো খাবারে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশ, স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়তা করে। শিশুর খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন এমন ছয় ধরনের খাবার।

১. চর্বিযুক্ত মাছ

স্যামন ও সার্ডিনের মতো চর্বিযুক্ত মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। মস্তিষ্কের গঠন ও স্বাভাবিক কার্যক্রমে এই পুষ্টি উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এটি শরীরের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।

২. বেরি জাতীয় ফল

ব্লুবেরি ও অন্যান্য গাঢ় রঙের বেরিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এসব উপাদান কোষকে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। কিছু গবেষণায় বেরি জাতীয় ফলের উপাদানের সঙ্গে মস্তিষ্কের কার্যক্রমের ইতিবাচক সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

৩. সবুজ শাকসবজি

পালংশাক ও ব্রকলির মতো সবুজ শাকসবজিতে ভিটামিন কে, ফোলেট ও বিটা-ক্যারোটিনসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এগুলো শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এবং মস্তিষ্কের কোষের সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে।

৪. বাদাম ও বীজ

আখরোটে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং বাদাম ও বিভিন্ন বীজে ভিটামিন ইসহ নানা পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। এসব উপাদান মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে। তবে কোনো একটি খাবার খেলেই শিশুর স্মৃতিশক্তি বা চিন্তাশক্তি বাড়বে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

৫. ডিম

ডিমের কুসুমে কোলিন নামের একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান থাকে। মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও স্মৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত রাসায়নিক উপাদান তৈরিতে কোলিন ভূমিকা রাখে। শিশুর সুষম খাদ্যতালিকায় ডিম রাখা যেতে পারে।

৬. ডার্ক চকোলেট

ডার্ক চকোলেটে ফ্লাভানলসহ কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকে। এসব উপাদান নিয়ে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল ও মনোযোগের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে গবেষণা হয়েছে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে ডার্ক চকোলেট খেলে বুদ্ধি বা স্মৃতিশক্তি বাড়ে, এমন নিশ্চিত প্রমাণ নেই। এতে চিনি থাকতে পারে বলে পরিমাণের দিকেও খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

শিশুর মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য কোনো একটি বিশেষ খাবারের ওপর নির্ভর না করে বৈচিত্র্যময় ও সুষম খাদ্য নিশ্চিত করা জরুরি। শিশুর বয়স অনুযায়ী খাবার নির্বাচন এবং বাদাম বা অন্য কোনো খাবার দেওয়ার সময় শ্বাসরোধের ঝুঁকিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

সম্পর্কিত খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button