
চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, আসন্ন রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকারের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবেন ব্যবসায়ীরা। ডাল, চাল, ছোলা, গম, সয়াবিন ও পাম তেল এবং চিনিসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রতি ১৫ দিন পরপর সমন্বয় সভা করে বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।
চট্টগ্রামের লজিস্টিকস ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়ে আমিরুল হক বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ১৩ টন ওজনসীমার বাধ্যবাধকতার কারণে ব্যবসায়ীদের বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে। এতে পণ্যের দামও বাড়ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ব্যয় কমাতে দ্রুত এ বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া প্রয়োজন।
সভায় চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও পোর্ট ইউজার্স ফোরামের চেয়ারম্যান আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ এবং বর্তমান সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরীসহ অনেকে বক্তব্য দেন।
এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এম. এ. সালাম, বিপিএএমইএর প্রথম সহসভাপতি শহীদুল্লাহ চৌধুরী এবং কাস্টমস কমিশনার মো. মাহবুবুর রহমানসহ ব্যবসায়ী নেতারা।



